শ্রীপুরে গ্রীন ভিউ রিসোর্টের বনভূমি গ্রাস

আলোকিত প্রতিবেদক : গাজীপুরের শ্রীপুরে মূল্যবান বনভূমি গ্রাস করছে গ্রীন ভিউ রিসোর্ট।

শ্রীপুর সদর বিটে দীর্ঘদিন ধরে এ দখলযজ্ঞ চললেও কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে না।

সরেজমিনে জানা যায়, গ্রীন ভিউ রিসোর্ট ভাংনাহাটি এলাকায় গত ২০০৮ সালে কার্যক্রম শুরু করে। প্রতিষ্ঠানটির মালিক ফকির মনিরুজ্জামান।

রিসোর্টটির দক্ষিণে উটপাখির বিচরণস্থল। স্থানটি ঘেঁষে এসএ ১৮৭১ নং দাগের তিন একর ২০ শতাংশ জমিতে আকাশমনি বাগান।

সীমানা খুঁটি দিয়ে বাগানটি গ্রাস করার পাঁয়তারা চলছে। চার উপকারভোগীর একজন সমঝোতায় তার অংশ ছেড়ে চলে গেছেন।

সুরুজ মিয়া নামের ওই উপকারভোগী বাগানের পাশে বসবাস করতেন। এরই মধ্যে তার মাটির ঘর ভেঙে সমতল করা হয়েছে।

ঘর ভেঙে দখলের পাঁয়তারা

এর পশ্চিম পাশে গেজেটভুক্ত ১৮৩৫ নং দাগের বনভূমি দিয়ে করা হয়েছে ভারী যানবাহন চলাচলের রাস্তা। তবে বিট অফিস কোন বাধা দেয়নি।

স্থানীয়রা জানান, গ্রীন ভিউ রিসোর্ট পর্যায়ক্রমে আরএস ৭৫১১, ৭৫৮১, ৭৬২৬ ও ৭৬৯৭ নং দাগের বনভূমি দখল করেছে। এর মধ্যে ৭৫৮১ ও ৭৬২৬ পার্ট দাগ।

বিট অফিস সূত্র জানায়, রিসোর্টটির দখল থেকে ২০১৭ সালে ১১ বিঘা বনভূমি উদ্ধার করা হয়েছে। এরপর আর কোন অভিযান হয়নি।

সংশ্লিষ্ট একজন জানান, রিসোর্টের ভেতরে আরও কয়েক বিঘা বনভূমি রয়েছে। কতিপয় বন কর্মকর্তার সাথে যোগসাজশ থাকায় সব দাগে যৌথ ডিমারকেশন হয়নি।

এ ব্যাপারে বিট কর্মকর্তা সেলিম মিয়া আলোকিত নিউজকে বলেন, গ্রীন ভিউ রিসোর্টের বিরুদ্ধে সাত-আটটি মামলা আছে। ফকির মনিরুজ্জামানের নামেও আছে দুই-তিনটি।

তিনি দাবি করেন, রিসোর্টটির ভেতরে বনের কোন জমি নেই। মাপজোখ করে সব বের করা হয়েছে।

বনভূমি দখল করে রাস্তা

পশ্চিম পাশের রাস্তা প্রসঙ্গে বিট কর্মকর্তা বলেন, আরএস পরচার জন্য আবেদন করেছি। রেকর্ড সংশোধনীর মামলা করব।

তিনি আরও বলেন, আমরা পাকা রাস্তা করতে দিব না। অস্থায়ী ব্যবহার করতে পারবে।

জানতে চাইলে গ্রীন ভিউ রিসোর্টের ম্যানেজার খোরশেদ আলম আলোকিত নিউজকে বলেন, আমি বছর খানেক আগে এসেছি। মামলার বিষয়ে জানি না।