কাপাসিয়ায় উচ্ছিষ্ট তুলার ব্যবসা : হুমকির মুখে পশুস্বাস্থ্য

নিজস্ব প্রতিবেদক, কাপাসিয়া : গবাদিপশুকে ক্ষতিকর তুলা না খাওয়ানোর বিষয়ে সতর্ক করছে প্রাণিসম্পদ বিভাগ।

গাজীপুরের কাপাসিয়া উপজেলা প্রশাসন ইতিপূর্বে একাধিক অভিযান পরিচালনা করে তুলা পুড়িয়ে দিয়েছে। আদায় করেছে জরিমানা।

কিন্তু তাতেও থেমে নেই পশুখাদ্য হিসেবে উচ্ছিষ্ট তুলার বেচাকেনা। কর্তৃপক্ষের নজরদারির অভাবে অবাধে চলছে ব্যবসা।

উপজেলার টোক ইউনিয়নের বীরউজলী বাজারের মুদি ব্যবসায়ী জুয়েল রানা, বড়দিয়া এলাকার আবদুল কাদিরের ছেলে সুমন মিয়া ও বারাব বাজারের ব্যবসায়ী রেনু প্রকাশ্যে তুলা বিক্রি করছেন।

সুমনের বাড়িতে গিয়ে দেখা যায়, বারাব এলাকার হাসেম তার গরুর খামারের জন্য ১৪ বস্তা তুলা কিনে টমটমে করে নিয়ে যাচ্ছেন। অনেক তুলা মজুত রয়েছে।

জানতে চাইলে সুমন আলোকিত নিউজকে বলেন, আমি তুলার ব্যবসা করি তিন মাস যাবত। আমার টাকায় ব্যবসা করি, তাতে আপনার কী।

খোঁজ নিয়ে জানা যায়, কিছু লোক বেশি লাভের আশায় তুলা ব্যবসায় ঝুঁকেছেন। খামারিরাও বেশি দামে গরু বিক্রির আশায় ক্ষতিকর জেনে বা না জেনে তুলা খাওয়াচ্ছেন।

ওই ব্যবসায়ীরা ডুমদিয়া, দীঘিরপাড়, সোহাগপুর, বারাব, বড়চালা, কেন্দুয়াব ও লোহাদী এলাকার ছোট-বড় চাষিদের কাছে তুলা বিক্রি করছেন।

স্পিনিং মিল সূত্র জানায়, সুতা উৎপাদনে ব্যবহৃত তুলা মেশিনে প্রক্রিয়াজাত হয়ে কিছু উচ্ছিষ্ট তুলা জমা হয়। এতে টুকরো টুকরো তারসহ বিভিন্ন রাসায়নিক বস্তু থাকে।

একজন প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা জানান, কারখানার পরিত্যক্ত বা উচ্ছিষ্ট তুলা অখাদ্য। এসব খাওয়ালে পশুর পরিপাকে ব্যাঘাতসহ পুষ্টিহীনতা দেখা দেয়।

এ ব্যাপারে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ইসমত আরার সাথে মোবাইলে যোগাযোগ করলে তিনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানান।

image_printপ্রিন্ট করুন
Share
  • 142
    Shares
আরও খবর