মানুষের প্রতি দরদ ছিল এরশাদের : প্রধানমন্ত্রী

আলোকিত প্রতিবেদক : প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, জিয়া ক্ষমতায় এসে মুক্তিযুদ্ধের স্মৃতি সংরক্ষণের উদ্যোগ নেননি। এরশাদ সেটি করেছিলেন।

তিনি বলেন, স্মৃতিসৌধ ও শহীদ মিনারের কাজ এরশাদ শেষ করেছিলেন। ১৪ জন ছাত্রনেতার মৃত্যু পরোয়ানা ছিল, তাদের মুক্তি দিয়েছিলেন।

ব্যক্তি জীবনে এরশাদ ছিলেন অমায়িক। মানুষের প্রতি তার দরদ ছিল।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, জাতীয় পার্টি বিরোধী দলে আসার পর গঠনমূলক সমালোচনা করেছে। গত ১০ বছরে গণতন্ত্রের ওপর মানুষের আস্থা ফিরে এসেছে।

বিএনপির শাসনামলে এরশাদের জেল প্রসঙ্গে বলেন, এরশাদ ও রওশনকে বন্দী করে অকথ্য নির্যাতন করা হয়। বর্তমান সরকার খালেদা জিয়ার সাথে সে ধরনের আচরণ করছে না।

রবিবার এরশাদের মৃত্যুতে জাতীয় সংসদে সর্বসম্মতভাবে শোক প্রস্তাব গ্রহণ করে শেখ হাসিনা এসব কথা বলেন।

বিরোধী দলীয় উপনেতা রওশন এরশাদ তার স্বামীর ভুল-ত্রুটির জন্য ক্ষমা চেয়ে বলেন, এরশাদ কতটা জনপ্রিয় ছিলেন, তার মৃত্যুর পরও সেটা প্রমাণিত হয়েছে।

জাপার চেয়ারম্যান জি এম কাদের বলেন, রক্তপাতহীন অভ্যুত্থানে এরশাদ ক্ষমতা গ্রহণ করেছিলেন। সঠিক মূল্যায়ন করলে দেখা যাবে, তিনি গণতন্ত্র রক্ষা ও বিকাশে কাজ করেছেন।

শোক প্রস্তাবে বলা হয়, হুসেইন মুহম্মদ এরশাদের মৃত্যুতে দেশ একজন প্রবীণ রাজনীতিবিদ, সফল রাষ্ট্রনায়ক এবং নিবেদিত সমাজসেবককে হারাল।

১৯৮৩ থেকে এক নাগাড়ে প্রায় আট বছর রাষ্ট্রপতি হিসেবে দায়িত্ব পালনকালে দেশে অসংখ্য উন্নয়ন ও সংস্কারমূলক কাজ হয়েছে।

image_printপ্রিন্ট করুন
Share
  • 117
    Shares
আরও খবর